অধ্যায় এক: ভূমিকা

১.১

বাংলাদেশে জ্যোতির্বিজ্ঞান চর্চার তেমন কোন প্রসার লক্ষ্য করা যায় না। কিন্তু এদেশের শিক্ষার্থীরা এ বিষয়ে যথেষ্ট অবদান রাখতে সক্ষম এই বিশ্বাসকে নিয়েই শুরু হয় ক্যাম-সাস্টের যাত্রা।

দেশের প্রথম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠার ২১ বছর পরেও এখানে জ্যোতির্বিজ্ঞান নিয়ে খুব একটা কাজ করার সুযোগ ছিল না। জ্যোতির্বিজ্ঞানের অসাধারণ এবং মজার বিষয়গুলোকে বিশ্ববিদ্যালয় এবং স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের কাছে সহজে বোধগম্য করে উপস্থাপন করে তাদের আগ্রহ বৃদ্ধি করাই ক্যাম-সাস্টের লক্ষ্য। এমনকি অদূর ভবিষ্যতে সমগ্র বাংলাদেশব্যাপী ক্যাম-সাস্ট এর কার্যক্রম ছড়িয়ে দিতে সচেষ্ট। 

ক্যাম-সাস্টের গঠনের মূল প্রক্রিয়া তত্বাবধায়ন করেন জিওগ্রাফী এন্ড এনভায়রনমেন্ট বিভাগের সম্মানিত শিক্ষক জনাব রনি বসাক এবং পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. সুশান্ত কুমার দাশ। ১৭ জুলাই, ২০১২ তারিখে ক্যাম-সাস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন লাভ করে।

১.২

নামঃ কোপার্নিকাস অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল মেমোরিয়াল অব সাস্ট (Copernicus Astronomical Memorial of SUST)

১.৫

নামের ফন্ট (English): Algerian (তবে সর্বদা এই ফন্ট ব্যবহার বাধ্যতামূলক নয়)

১.৩

সংক্ষিপ্ত নামঃ ক্যাম-সাস্ট (CAM-SUST)

১.৬

ক্যাম-সাস্টের প্রতিটি সদস্যের পারস্পারিক ও অন্যান্য সংগঠনের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ক্যাম-সাস্টের কোন সদস্য ক্যাম-সাস্ট বা শাবিপ্রবির অন্য কোন নিবন্ধিত সংগঠনের কারো সাথে অশোভন, অপ্রীতিকর, অশালীন আচরণে লিপ্ত হলে তা সংবিধান পরিপন্থী বলে বিবেচিত হবে। 

১.৪

 লোগো (Logo):

২.১ মোটো (Motto): “Pursuing the infinity”.

২.২ মূলমন্ত্রঃ “অসংখ্য অজানা থেকে জ্ঞান আহরণ করে সেই জ্ঞানকে সকলের মাঝে ছড়িয়ে দেয়া।”

২.৩ লক্ষ্য (Goal): জ্যোতির্বিজ্ঞানের বিষয় গুলিকে মানুষের সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়ে জ্যোতির্বিজ্ঞানে  তাদের আগ্রহ সৃষ্টি করা। সর্বোপরি জ্যোতির্বিজ্ঞান বিষয়ক একটি প্ল্যাটফর্ম(ক্ষেত্র) তৈরি করা।

২.৪ ক্যাম-সাস্ট একটি ধর্মীয় উগ্রতা মুক্ত, অরাজনৈতিক, অলাভজনক (Non-Profitable), স্বেচ্ছাশ্রমভিত্তিক বিজ্ঞান বিষয়ক সংগঠন।  



 

৩.১ ক্যাম-সাস্ট এর সংবিধান দুষ্পরিবর্তনীয়।

৩.২ ক্যাম-সাস্ট এর সংবিধান সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

৩.৩ বিশেষ প্রয়োজনে সংবিধান এর পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংশোধন ও পরিমার্জন করা যেতে পারে। এক্ষেত্রে সংবিধান পরিবর্তন কমিটি গঠন করতে হবে, যেখানে বর্তমান কার্যনির্বাহী পর্ষদের প্রেসিডেন্ট সহ ন্যূনতম ৩ অথবা সর্বোচ্চ ৫ জন সদস্য থাকবেন যারা কার্যনির্বাহী সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হবেন। এ কমিটি দ্বারা সংবিধানের প্রস্তাবিত পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংশোধন ও পরিমার্জন কার্যনির্বাহী পর্ষদের দ্বারা গৃহীত হতে হবে। সর্বশেষে কার্যনির্বাহী পর্ষদ কর্তৃক এই  গৃহীত পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংশোধন ও পরিমার্জনে প্রধান উপদেষ্টার সম্মতি গ্রহণ করতে হবে। 

৩.৪ বিশেষ প্রয়োজনে (প্রধান উপদেষ্টার অনুমতি ক্রমে ও তত্ত্বাবধানে)সংবিধান স্থগিত করা যেতে পারে। সেক্ষেত্রে সকল ক্ষমতা প্রধান উপদেষ্টার অধীনস্থ হবে। 

৩.৫ ক্যাম-সাস্ট এর সর্বস্তরের সদস্যদের জন্য সংবিধান মেনে চলা বাধ্যতামূলক। ক্যাম-সাস্ট এর কোন সদস্য সংবিধান পরিপন্থী কর্মকান্ডে লিপ্ত হলে কার্যনির্বাহী পর্ষদ তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিতে পারে, উপযুক্ত কারণ প্রদর্শনে অসফল হলে কার্যনির্বাহী পর্ষদপ্রয়োজনে তার সদস্যপদ বাতিল করতে পারে, এক্ষেত্রে কার্যনির্বাহী পর্ষদের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত।কারণ দর্শাও নোটিশ প্রদানের ১ সপ্তাহের মধ্যে তার জবাব লিখিত আকারে প্রদান করতে হবে।

৩.৬ সকল কমিটি সমূহ সংবিধান অনুসারে কাজ করবে, তবে বিশেষ প্রয়োজনে সংবিধানের সাহায্য না পাওয়া গেলে প্রেসিডেন্ট কমিটি সদস্যদের সাথে মিলিতভাবে সিদ্ধান্ত নিবেন এবং প্রয়োজনে উপদেষ্টা মন্ডলীর সাহায্য নিবেন।

৩.৭ উক্ত সংবিধানের অধ্যায়গুলো হলোঃ

        অধ্যায় এক- ভূমিকা

        অধ্যায় দুই- মূলমন্ত্র

        অধ্যায় তিন- সংবিধান

      অধ্যায় চার- সদস্য সংগ্রহ ও সদস্য পদ

        অধ্যায় পাঁচ- কার্যনির্বাহী পর্ষদ

        অধ্যায় ছয়- নতুন কার্যনির্বাহী পর্ষদ নির্বাচন

        অধ্যায় সাত- পরামর্শক সদস্য

        অধ্যায় আট- প্রেসিডেন্ট

        অধ্যায় নয়- জেনারেল সেক্রেটারি

      অধ্যায় দশ- অরগানাইজিং সেক্রেটারি

        অধ্যায় এগারো- অন্যান্য সেক্রেটারিগণ

        অধ্যায় বারো- বিশেষ কমিটি

        অধ্যায় তেরো- উপদেষ্টা মন্ডলী

        অধ্যায় চৌদ্দ- কোষাধ্যক্ষ এবং তহবিল

        অধ্যায় পনেরো- সভা

        অধ্যায় ষোল- ভোট

৩.৮ সংগঠন এবং সংবিধান সম্পর্কে কটুক্তি, অসদাচারণ বা, সংবিধান বিরোধী কথা বা, কাজ সংবিধান পরিপন্থী বলে বিবেচিত হবে। 

৪.১ ক্যাম-সাস্ট এর সদস্যপদ পাঁচ শ্রেণীর। এগুলো হল- সাধারন সদস্য, কার্যনির্বাহী পর্ষদ সদস্য, বিশেষ সদস্য, পরামর্শক সদস্য এবং গোল্ড মেম্বার। 

৪.২ শাবিপ্রবির যেকোন শিক্ষার্থী নির্দিষ্ট মূল্য পরিশোধ করে নিবন্ধন ফর্ম পূরণের মাধ্যমে সাধারণ সদস্যপদের আবেদন করতে পারবেন। পরবর্তিতে প্রেসিডেন্ট ও অর্গানাইজিং সেক্রেটারির তত্ত্বাবধানে তাকে সদস্যপদ দেয়া যেতে পারে।            

৪.৩ বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে থেকে সহযোগিতা করতে চায় এমন কেউ ক্যাম-সাস্টের বিশেষ সদস্য হতে পারবে। এক্ষেত্রে তাদের কোন অর্থমূল্য প্রদান করতে হবে না। তবে তারা কখনও কার্যনির্বাহী পর্ষদের সদস্য হতে পারবে না।

৪.৪ ক্যাম-সাস্টের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনেও ক্যাম-সাস্টের বিশেষ সদস্য করা যেতে পারে। 


৪.৫ ক্যাম-সাস্ট এর কোন সদস্যের এ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক শেষ হয়ে গেলে তিনি আর সাধারণ সদস্য হিসেবে থাকতে পারবেন না। তার সাধারণ সদস্যপদ গোল্ড মেম্বারশিপে পরিবর্তিত হয়ে যাবে। সাধারণ সদস্যের মত তাদের আর কোন অর্থ ক্যাম-সাস্টের তহবিলে জমা দিতে হবে না।

৫.১ প্রতিটি কমিটির মেয়াদ এক বছর হবে। তবে বিশেষ প্রয়োজনে প্রধান উপদেষ্টার অনুমতিক্রমে কমিটির মেয়াদ এক বৎসরের কম বা বেশি হতে পারে। 

৫.২ মেয়াদের পূর্বে কোনো কার্যনির্বাহী পর্ষদের এক বা একাধিক সদস্য ইস্তফা প্রদান করলে বা অন্য কোন কারণে কার্যনির্বাহী পর্ষদের এক বা একাধিক পদ খালি হয়ে গেলে (প্রেসিডেন্ট এবং জেনারেল সেক্রেটারি পদ বাদে) উক্ত পদ বা পদসমূহ কমিটির বাকি সদস্যরা ভোটের মাধ্যমে পূরণ করবেন। এ ভোট অবশ্যই গোপনে হতে হবে। 

৫.৩ যে কোন জরুরী প্রয়োজনে প্রধান উপদেষ্টা কমিটি স্থগিত বা বাতিল করতে পারেন। সেক্ষেত্রে সর্বময় ক্ষমতা প্রধান উপদেষ্টার হাতে চলে যাবে এবং তিনি প্রয়োজন অনুসারে পরবর্তি পদক্ষেপ নিবেন।

৫.৪ প্রত্যেক কার্যনির্বাহী সদস্যকে ক্যাম-সাস্টের সাধারণ সদস্য হতে হবে। 

৫.৫ যে কেউ যেকোন রাজনৈতিক সংগঠনের যেকোন কার্যকরী কমিটির অথবা শাবিপ্রবির অভ্যন্তরীণ নিবন্ধিত অরাজনৈতিক কোন সংগঠনের (শাবিপ্রবির জেলা ভিত্তিক আঞ্চলিক কোন অ্যাসোসিয়েশান বা সংগঠন বাদে) কার্যকরী কমিটির বর্তমান সদস্য হলে ক্যাম-সাস্টের কার্যকরী পর্ষদের সদস্য হতে পারবে না। যদি সে ক্যাম-সাস্টের কার্যকরী পর্ষদের সদস্য হতে চায় তবে তাকে উপরে উল্লেখিত কমিটি থেকে পদত্যাগ করতে হবে। আবার কেউ যদি ক্যাম-সাস্টের কার্যকরী পর্ষদের সদস্য থাকা অবস্থায় উপরে উল্লেখিত কোন কমিটির সদস্য হতে চায় তাহলে তাকে ক্যাম-সাস্টের কার্যনির্বাহী পর্ষদ থেকে পদত্যাগ করতে হবে। পদত্যাগ না করে উপরে উল্লেখিত কোন কমিটির সদস্য হলে তার কার্যনির্বাহী সদস্যপদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে এবং তার সেই কাজ ক্যাম-সাস্টের সংবিধান পরিপন্থি বলে বিবেচিত হবে।

৫.৬ কাউকে কার্যনির্বাহী পর্ষদের অন্তর্ভুক্ত করার পূর্বে তার সম্মতি গ্রহণ করতে হবে।

৫.৭ প্রত্যেক কার্যনির্বাহী পর্ষদের সদস্যকে অবশ্যই কার্যনির্বাহী পর্ষদ কর্তৃক গৃহীত সিদ্ধান্ত যথাযথভাবে পালন করতে হবে। অন্যথায় তাকে কার্যনির্বাহী পর্ষদের সভায় জবাবদিহি করতে হবে।

৫.৮ কার্যনির্বাহী পর্ষদের যে কোন সদস্যকে এক পদ থেকে অন্য পদে স্থানান্তরিত করা যেতে পারে। তবে সেই সিদ্ধান্ত অবশ্যই কার্যনির্বাহী কমিটির মিটিং এ নিতে হবে। 

৫.৯ কার্যনির্বাহী পর্ষদের পদসমূহ হলঃ

১। প্রেসিডেন্ট (সভাপতি)

২। ভাইস প্রেসিডেন্ট (সহ-সভাপতি)

৩। জেনারেল সেক্রেটারি (সাধারণ সম্পাদক)

৪। অ্যাসিস্ট্যান্ট জেনারেল সেক্রেটারি (সহকারি সাধারণ সম্পাদক)

৫। ট্রেজারার (কোষাধ্যক্ষ)

৬। অফিস সেক্রেটারি (দপ্তর সম্পাদক)

৭। অর্গানাইজিং সেক্রেটারি (সাংগঠনিক সম্পাদক)

৮। অ্যাসিস্ট্যান্ট অর্গানাইজিং সেক্রেটারি (সহকারি সাংগঠনিক সম্পাদক)

৯। আইটি সেক্রেটারি (তথ্য প্রযুক্তি সম্পাদক)

১০। ফিল্ড এডুকেশান সেক্রেটারি 

১১। স্টাডি সার্কেল সেক্রেটারি

১২। পাবলিসিটি সেক্রেটারি (প্রচার সম্পাদক)

১৩। পাবলিকেশন সেক্রেটারি (প্রকাশনা সম্পাদক)

১৪। জেনারেল এক্সিকিউটিভ মেম্বার (সাধারণ কার্যনির্বাহী সদস্য) – ২ টি 

 

৫.১০ কার্যনির্বাহী পর্ষদের সদস্য সংখ্যা কোনভাবেই ১৫ জনের বেশি হতে পারবে না।

৫.১১ কার্যনির্বাহী পর্ষদের সভায় কার্যনির্বাহী পর্ষদের সদস্য ব্যতীত কেউ উপস্থিত থাকতে পারবেন না। তবে চাইলে যে কোন উপদেষ্টা কার্যনির্বাহী পর্ষদের সভায় উপস্থিত থাকতে পারবেন। 

৫.১২ কার্যনির্বাহী পর্ষদের সকল সদস্য কার্যনির্বাহী পর্ষদের কাছে দায়বদ্ধ এবং কার্যনির্বাহী পর্ষদ প্রধান উপদেষ্টার নিকট দায়বদ্ধ।

৫.১৩ কার্যনির্বাহী পর্ষদের সভায় অধিকাংশ সদস্যের মতামতই কার্যনির্বাহী পর্ষদের সিদ্ধান্ত বা মতামত হিসেবে গণ্য হবে। 

৬.১ নতুন কার্যনির্বাহী পর্ষদের নির্বাচনের ক্ষেত্রে বর্তমান কার্যনির্বাহী পর্ষদ এর মেয়াদ ১ বছর (পূর্বে উল্লেখিত নিয়মে কম বা বেশি হতে পারে) পূর্ণ হওয়ার অন্তত ১ মাস আগে গোপন ভোটের মাধ্যমে ৩ জন সদস্য নির্বাচন করবে। এ ৩ জন সদস্য নির্বাচিত হবেন প্রেসিডেন্ট, ভাইস প্রেসিডেন্ট, জেনারেল সেক্রেটারি, অ্যাসিস্ট্যান্ট জেনারেল সেক্রেটারি, ট্রেজারার, অফিস সেক্রেটারি, অর্গানাইজিং সেক্রেটারি এবং পরামর্শক মহলের সদস্যদের ভেতর থেকে। 

৬.২ নির্বাচিত ৩ জন সদস্যকে নিয়ে গঠিত হবে কার্যনির্বাহী পর্ষদ নির্বাচক কমিটি।

৬.৩ ৩ জনের এ কমিটি আলোচনার মাধ্যমে নতুন কার্যনির্বাহী পর্ষদ নির্বাচন করবেন। কার্যনির্বাহী পর্ষদ নির্বাচনে মতামত দেয়ার ক্ষেত্রে এই ৩ জনের সমান গুরুত্ব থাকবে। ৩ জনের অন্তত ২ জন কোন বিষয়ে একমত হলে তৃতীয় জনের আপত্তি এক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য হবে না। 

৬.৪ ‘কার্যনির্বাহী পর্ষদ নির্বাচক কমিটি’ কর্তৃক প্রস্তাবিত নতুন কার্যনির্বাহী পর্ষদ প্রধান উপদেষ্টা এক সাধারণ সভায় ঘোষণা করবেন এবং প্রধান উপদেষ্টার অনুমতিক্রমে সাথে সাথেই বর্তমান কার্যনির্বাহী পর্ষদ বিলুপ্ত হয়ে যাবে এবং নতুন কার্যনির্বাহী পর্ষদ দায়িত্ব গ্রহণ করবে। 

৬.৫ কার্যনির্বাহী পর্ষদ নির্বাচক কমিটির মেয়াদ হবে সর্বোচ্চ ১ মাস।

৬.৬ যোগ্য লোকের সংকট থাকলে নির্বাচিত নতুন কার্যনির্বাহী পর্ষদের পদ খালি রাখা যেতে পারে। তবে নির্বাচিত নতুন কার্যনির্বাহী পর্ষদের সদস্য সংখ্যা সর্বনিম্ন ১১ জন হতে হবে। 

৬.৭ বিশেষ প্রয়োজনে নির্বাচিত নতুন কার্যনির্বাহী পর্ষদে একই ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ ২ টি পদে রাখা যেতে পারে। 

৬.৮ এ পদ্ধতিতে প্রধান উপদেষ্টা নতুন কার্যনির্বাহী পর্ষদ ঘোষণার আগ পর্যন্ত বর্তমান কার্যনির্বাহী পর্ষদই দায়িত্বে থাকবে যদি না প্রধান উপদেষ্টা বর্তমান পর্ষদ বিলুপ্ত ঘোষণা করেন।

৭.১ সফলভাবে পূর্ণ মেয়াদ সম্পন্ন করা সকল কার্যনির্বাহী সদস্য পরামর্শক সদস্য হিসেবে পরিগণিত হবেন।

৭.২ তবে কোন কারণে ক্যাম সাস্টের সদস্যপদ বাতিল হয়ে গেলে অর্থাৎ ক্যাম সাস্টের কোন পর্যায়ের সদস্য হিসেবে না থাকলে তিনি পরামর্শক সদস্য হিসেবে পরিগণিত হবেন না। 

৭.৩ কার্যনির্বাহী পর্ষদ সংবিধান বা সাংগঠনিক যে কোন বিষয়ে পরামর্শক সদস্যদের পরামর্শ বা সাহায্য চাইতে পারেন। 

৭.৪ উপদেষ্টাগণ সংবিধান বা সাংগঠনিক যে কোন বিষয়ে পরামর্শক সদস্যদের পরামর্শ বা সাহায্য চাইতে পারেন। 

৮.১ প্রেসিডেন্ট ক্যাম-সাস্টের যাবতীয় কর্মকান্ডের প্রধান।
৮.২ যদি এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় যে, কোন তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তের প্রয়োজন সেক্ষেত্রে প্রেসিডেন্ট তাৎক্ষণিক যেকোন সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। তবে পরবর্তিতে তার এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে কার্যনির্বাহী পর্ষদের সভায় যেকোন কার্যনির্বাহী সদস্য প্রশ্ন তুলতে পারবেন এবং প্রেসিডেন্ট সেই সভায় প্রশ্নের উত্তর দানে বাধ্য থাকবেন।
৮.৩ কোন নির্দিষ্ট বিষয়ে প্রেসিডেন্টের গৃহীত তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত ঐ একই বিষয়ে অন্য কার্যনির্বাহী সদস্যদের তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তকে বাতিল করে দেয়।
৮.৪ কার্যনির্বাহী পর্ষদের সভায় প্রেসিডেন্ট এককভাবে কোন রকম সিদ্ধান্তই নিতে পারবেন না (অনুচ্ছেদ ১৬.৪ ব্যতীত) ।
৮.৫ প্রেসিডেন্টের অবর্তমানে ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করবেন।
৮.৬ প্রেসিডেন্ট স্থায়ীভাবে কার্যনির্বাহী পর্ষদ থেকে চলে গেলে তার জায়গা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভাইস প্রেসিডেন্ট পূরণ করবেন।

৯.১ যদি অফিস, অর্গানাইজিং, আই.টি, ফিল্ড এডুকেশান, স্টাডি সার্কেল, পাবলিসিটি, পাবলিকেশানের যে কোন ক্ষেত্রে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় যে কোন তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তের প্রয়োজন সেক্ষেত্রে জেনারেল সেক্রেটারি তাৎক্ষণিক যেকোন সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। তবে পরবর্তিতে তার এই সিদ্ধান্ত বিষয়ে কার্যনির্বাহী পর্ষদের সভায় যেকোন কার্যনির্বাহী সদস্য প্রশ্ন তুলতে পারবেন এবং জেনারেল সেক্রেটারি সেই সভায় প্রশ্নের উত্তর দানে বাধ্য থাকবেন। 

৯.২ অফিস, অর্গানাইজিং, আই.টি, ফিল্ড এডুকেশান, স্টাডি সার্কেল, পাবলিসিটি, পাবলিকেশানের যে কোন ক্ষেত্রের কোন নির্দিষ্ট বিষয়ে জেনারেল সেক্রেটারির গৃহীত তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত ঐ একই বিষয়ের দায়িত্ব প্রাপ্ত অন্য কার্যনির্বাহী সদস্যদের তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তকে বাতিল করে দেয়। তবে জেনারেল সেক্রেটারির যেকোন বিষয়ের যেকোন তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তকে বাতিল করে দেয় ঐ একই বিষয়ে প্রেসিডেন্টের তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত। 

৯.৩ জেনারেল সেক্রেটারির অবর্তমানে সহকারি জেনারেল সেক্রেটারি জেনারেল সেক্রেটারির দায়িত্ব পালন করবেন। 

৯.৪ জেনারেল সেক্রেটারি স্থায়ীভাবে কার্যনির্বাহী পর্ষদ থেকে চলে গেলে তার জায়গা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সহকারি জেনারেল সেক্রেটারি পূরণ করবেন।

১০.১ অর্গানাইজিং সেক্রেটারি সংগঠনের সকল কর্মকাণ্ডের মধ্যে সমন্বয় সাধন করবেন। 

১০.২ কার্যনির্বাহী পর্ষদের সকল সদস্য তাদের নেয়া তাৎক্ষনিক সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত সম্বন্ধে তাৎক্ষনিক অর্গানাইজিং সেক্রেটারিকে জানাতে হবে। 

১০.৩ বিশেষ কমিটির নেয়া সকল সিদ্ধান্ত সম্বন্ধে তাৎক্ষনিক অর্গানাইজিং সেক্রেটারিকে জানাতে হবে। 

১০.৪ অর্গানাইজিং সেক্রেটারি সকল তাৎক্ষনিক সিদ্ধান্তসমূহ পরবর্তী নিয়মিত কার্যনির্বাহী পর্ষদের সভায় উপস্থাপন করবেন। 

১০.৫ অর্গানাইজিং সেক্রেটারির অবর্তমানে সহকারি অর্গানাইজিং সেক্রেটারি অর্গানাইজিং সেক্রেটারির দায়িত্ব পালন করবেন। 

১০.৬ অর্গানাজিং সেক্রেটারির পদ স্থায়ীভাবে শুন্য হয়ে গেলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সহকারি অর্গানাইজিং সেক্রেটারি শুন্য পদ পূরণ করবেন।

১১.১ অন্যান্য সেক্রেটারিগণ তাদের নিজ নিজ সেক্টরে যেকোন সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। তবে সেই সিদ্ধান্তের জন্য তারা কার্যনির্বাহী কমিটির কাছে দায়বদ্ধ থাকবেন। 

১১.২ যদি এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় যে, কোন তাৎক্ষনিক সিদ্ধান্তের প্রয়োজন সেক্ষেত্রে সেক্রেটারিগণ শুধুমাত্র নিজের সেক্টরে তাৎক্ষনিক যেকোন সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। তবে পরবর্তীতে তাদের এই সিদ্ধান্ত বিষয়ে কার্জনির্বাহী পর্ষদের সভায় কার্যনির্বাহী পর্ষদের যেকোন সদস্য প্রশ্ন তুলতে পারবেন এবং তারা সেই সভায় সেই প্রশ্নের উত্তর দানে বাধ্য থাকবেন। 

১১.৩ সেক্রেটারিগণ নিজ নিজ সেক্টরে যেকোন কর্মকান্ডের জন্য কার্যনির্বাহী পর্ষদের কাছে দায়বদ্ধ থাকবেন।

১২.১ কার্যনির্বাহী পর্ষদ প্রয়োজনবোধে ক্যাম-সাস্টের বিভিন্ন অনুষ্ঠানের জন্য আলাদা আলাদা কমিটি প্রদান করতে পারে। 

১২.২ এসব কমিটিকে সেই অনুষ্ঠানের বিশেষ কমিটি বলা হবে। 

১২.৩ এই বিশেষ কমিটিতে ক্যাম সাস্টের যেকোন সদস্যকে রাখা যেতে পারে। 

১২.৪ এই কমিটি নির্ধারণ করবে ক্যাম-সাস্টের কার্যনির্বাহী পর্ষদ। 

১২.৫ বিশেষ কমিটিসমূহ তাদের সকল কাজের জন্য কার্যনির্বাহী পর্ষদের নিকট দায়বদ্ধ থাকবে। 

১২.৬ বিশেষ কমিটিতে কিছু নির্ধারিত পদ থাকবে। সেগুলো হল-

১। আহ্বায়ক (১ জন)

২। সহ-আহ্বায়ক (সর্বোচ্চ ২ জন)

৩। সদস্য সচিব (১ জন)

৪। সহকারি সদস্য সচিব (কমপক্ষে ১ জন)

৫। কোষাধ্যক্ষ (১ জন)

১২.৭ এছাড়া প্রয়োজন মত পদ নেয়া যেতে পারে।

১৩.১ ক্যাম-সাস্ট এর সকল কমিটি প্রধান উপদেষ্টার নিকট দায়বদ্ধ।

১৩.২ বিশেষ প্রয়োজনে প্রধান উপদেষ্টা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পারেন। 

১৩.৩ কোন কমিটির মেয়াদ উত্তির্ণের পূর্বেই জরুরী মুহূর্ত কেবল মাত্র প্রধান উপদেষ্টা কমিটি বাতিল করতে পারেন। 

১৩.৪ ক্যাম-সাস্ট এর প্রতি সহানুভূতিশীল শিক্ষকগণকে কার্যনির্বাহী পর্ষদ আলোচনা সাপেক্ষে উপদেষ্টা হিসেবে আমন্ত্রণ করতে পারে। 

১৩.৫ ক্যাম-সাস্টের যাবতীয় সংকটে প্রধান উপদেষ্টার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে। 

১৩.৬ উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্যকে অবশ্যই শাবিপ্রবির শিক্ষক হতে হবে। উপদেষ্টা মণ্ডলীর কোন সদস্য যদি ৬ মাসের অধিক সময় ধরে ক্যাম-সাস্টের সাথে বিচ্ছিন্ন থাকেন তবে কার্যনির্বাহী পর্ষদ চাইলে উক্ত সদস্যকে উপদেষ্টামণ্ডলী থেকে প্রত্যাহার করতে পারে।

১৪.১ ক্যাম সাস্টের তহবিল প্রেসিডেন্টের তত্ত্বাবধানে কোষাধ্যক্ষের মাধ্যমে পরিচালিত হবে। 

১৪.২ সাংগঠনিক কাজে কোষাধ্যক্ষ প্রেসিডেন্টের অনুমতি সাপেক্ষে অর্থ প্রদানে বাধ্য থাকবেন। 

১৪.৩ কার্যনির্বাহী পর্ষদ যেকোন কার্যনির্বাহী পর্ষদের সভায় তহবিলের হিসাব চাইলে কোষাধ্যক্ষ কার্যনির্বাহী পর্ষদের সেই সভায় বা তার পরবর্তী কার্যনির্বাহী পর্ষদের সভায় সেই হিসাব দিতে বাধ্য থাকবেন। 

১৪.৪ দায়িত্ব হস্তান্তরের সময় কোষাধ্যক্ষ তার সমূদয় হিসাব রিপোর্ট আকারে পরবর্তী কার্যনির্বাহী পর্ষদের নিকট হস্তান্তর করবেন। 

১৪.৫ সংগঠনের কোন কাজে কার্যনির্বাহী পর্ষদের পূর্ব পরিকল্পনার বাইরে তাৎক্ষনিকভাবে অর্থের প্রয়োজন পড়লে কোষাধ্যক্ষ প্রেসিডেন্টের তাৎক্ষনিক অনুমতি সাপেক্ষে অর্থ ছাড় করতে পারেন। তবে এ বিষয়ে পরবর্তীতে কার্যনির্বাহী পর্ষদের সভায় কোন প্রশ্ন উত্থাপিত হলে কোষাধ্যক্ষ এবং প্রেসিডেন্ট উভয়েই কার্যনির্বাহী পর্ষদকে উত্থাপিত প্রশ্নের উত্তর দানে বাধ্য থাকবেন। 

১৪.৬ তহবিল ক্যাম-সাস্টের ব্যাঙ্ক হিসাবের মাধ্যমে পরিচালিত হবে। সভাপতির অনুমতি সাপেক্ষে কোষাধ্যক্ষ কিছু পরিমাণ তহবিল নিজের কাছে রাখতে পারে।

১৪.৭ ক্যাম-সাস্টের কার্যাবলী সুন্দরভাবে পরিচালনার জন্য সকল সাধারণ সদস্যকে মাসিক ১০ টাকা করে ক্যাম-সাস্টের তহবিলে জমা দিতে হবে। যদি কেউ পুরো এক বছর টাকা না দেয় তবে তার সাধারণ সদস্যপদ বাতিল হয়ে যাবে। তবে এ বাতিল হয়ে যাওয়া সদস্যপদ পরবর্তীতে ১২০ টাকা প্রদান করে যেকোন সময়ে পুনরায় ফিরে পাওয়া যাবে। 

১৪.৮ কার্যনির্বাহী পর্ষদের সদস্যদের প্রতি মাসে একটি নির্দিষ্ট পরিমান চাঁদা তহবিলে জমা দিতে হবে। চাঁদার পরিমান কার্যনির্বাহী পর্ষদ কর্তৃক নির্ধারিত হবে। তবে এ চাঁদার পরিমান নূন্যতম ৫০ টাকা হতে হবে। কোন কার্যনির্বাহী সদস্যের ৪ মাস বা তার বেশি এ টাকা বাকি থাকলে তাকে কার্যনির্বাহী পর্ষদ থেকে কারণ দর্শাও নোটিশ দেয়া যেতে পারে কিংবা কার্যনির্বাহী পর্ষদের সভায় এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা যেতে পারে। উপযুক্ত কারণ প্রদর্শনে অসফল হলে কার্যনির্বাহী পর্ষদ যেকোন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে। এক্ষেত্রে কার্যনির্বাহী পর্ষদের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। কারণ দর্শাও নোটিশ প্রদানের ১ সপ্তাহের মধ্যে তার জবাব লিখিত আকারে প্রদান করতে হবে। 

১৪.৯ সংগঠনের বিভিন্ন কাজের জন্য বিভিন্ন উৎস থেকে অনুদান গ্রহণ করা যেতে পারে। 

১৪.১০ সকল অনুদান গ্রহণের ক্ষেত্রে অনুদান প্রদানকারীকে রশিদ দিতে হবে।

১৫.১ সভায় উপস্থিত সকলে মতামত দিতে পারবেন। 

১৫.২ নিয়মিত কার্যনির্বাহী পর্ষদের সভায় কমপক্ষে ৫০% কার্যনির্বাহী পর্ষদের সদস্যের উপস্থিতি না থাকলে সেই সভায় কোনরকম সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যাবে না। যদি কোন কার্যনির্বাহী পর্ষদ এর সদস্য কার্যনির্বাহী পর্ষদের সভায় উপস্থিত না থেকে (জরুরী কার্যনির্বাহী পর্ষদের সভা বাদে) পরবর্তী সময়ে সেই সভায় নেয়া কোন সিদ্ধান্তের বিষয়ে আপত্তি তোলেন তাহলে তা গ্রহণ করা হবে না। 

১৫.৩ উপযুক্ত কারণ ব্যতীত কোন কার্যনির্বাহী পর্ষদ এর সদস্য যেকোন কার্যনির্বাহী পর্ষদের সভায় উপস্থিত না থাকতে পারলে তাকে কার্যনির্বাহী পর্ষদ থেকে কারণ দর্শাও নোটিশ দেয়া যেতে পারে। উপযুক্ত কারণ প্রদর্শনে অসফল হলে কার্যনির্বাহী পর্ষদ যেকোন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে। এক্ষেত্রে কার্যনির্বাহী পর্ষদের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে। কারণ দর্শাও নোটিশ প্রদানের ১ সপ্তাহের মধ্যে তার জবাব নিখিত আকারে প্রদান করতে হবে। 

১৫.৪ সাধারণ এবং কার্যনির্বাহী পর্ষদের সভা আহবান করবেন জেনারেল সেক্রেটারি এবং সভাপতিত্ব করবেন প্রেসিডেন্ট। সাধারণ সভা আহবানের সিদ্ধান্ত কার্যনির্বাহী পর্ষদ নিবে। 

১৫.৫ সাধারণ সভায় কোন কার্যনির্বাহী পর্ষদের সদস্য অনুপস্থিত থাকলে এবং পূর্বেই প্রেসিডেন্ট বা জেনারেল সেক্রেটারিকে অবহিত না করলে তাকে কার্যনির্বাহী পর্ষদ থেকে কারণ দর্শাও নোটিশ দেয়া যেতে পারে। উপযুক্ত কারণ প্রদর্শনে অসফল হলে কার্যনির্বাহী পর্ষদ যেকোন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে। এক্ষেত্রে কার্যনির্বাহী পর্ষদের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। কারণ দর্শাও নোটিশ প্রদানের ১ সপ্তাহের মধ্যে তার জবাব নিখিত আকারে প্রদান করতে হবে। 

১৫.৬ নিয়মিত কার্যনির্বাহী পর্ষদের সভার অন্তত ২৪ ঘন্টা পূর্বে সভার স্থান ও সময় অধিকাংশ সদস্যের জন্য সুবিধাজনক অনলাইন মাধ্যমে জানাতে হবে। 

১৫.৭ তবে জরুরী প্রয়োজনে যেকোন মুহূর্তে কার্যনির্বাহী পর্ষদের জরুরী সভা আহবান করা যাবে। সেক্ষেত্রে কমপক্ষে ২ ঘন্টা আগে অধিকাংশ সদস্যদের জন্য সুবিধাজনক অনলাইন মাধ্যমে জানাতে হবে। 

১৫.৮ জরুরী কার্যনির্বাহী পর্ষদের সভায় নেয়া যেকোন সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে পরবর্তী নিয়মিত কার্যনির্বাহী সভায় প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে। প্রয়োজনে সভায় উপস্থিত অধিকাংশের সম্মতিতে জরুরী কার্যনির্বাহী সভায় নেয়া যে সকল সিদ্ধান্ত বাস্তবে পরিবর্তন করা সম্ভব সেই সিদ্ধান্তগুলো পরিবর্তন করা যাবে।

১৬.১ কার্যনির্বাহী পর্ষদের সভায় গৃহীত ভোটের মাধ্যমে নেয়া সিদ্ধান্ত ক্যাম-সাস্টের সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচিত হবে। 

১৬.২ ভোট গ্রহণ প্রকাশ্য বা গোপনে হতে পারে। তবে যদি কোনো বিষয়ে ভোট গ্রহণের ক্ষেত্রে নূন্যতম একজন সদস্যও প্রকাশ্য ভোটের বিরোধিতা করে তবে ভোট গ্রহণ গোপনে করতে হবে। গোপনে ভোট হলে ভোটদাতা তা কাগজে গোপনে লিখে প্রদান করবেন। 

১৬.৩ সর্বাধিক ভোট পাওয়া সিদ্ধান্তটি কার্যনির্বাহী পর্ষদের সিদ্ধান্ত বলে বিবেচিত হবে।

১৬.৪ তবে কোনো বিষয়ে সর্বাধিক ভোট পাওয়া সিন্ধান্ত একাধিক হলে সেক্ষেত্রে প্রেসিডেন্ট এর সিন্ধান্ত চুড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে।